
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ রেকর্ড খাতায় রোগীর মেডিকেল রেকর্ড টেম্পারিং করে নিরীহ লোকদের ফাঁসানোর চেষ্টার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি জাল মেডিকেল সর্টিফিকেট চক্র। এই চক্রের দেওয়া জাল মেডিকেল সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে নিরীহ ভুক্তভোগীদের জেল ও জরিমানা হতে পারে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের জরুরী বিভাগের রোগী রেজিস্টার খাতায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জোগসাজস করে অন্য কোন রোগীর মেডিকেল রেকর্ডে রোগীর নাম-ঠিকানার অংশ ফ্লুইড দ্বারা ঢেকে দিয়ে জনৈক মো. ফারুক মিয়ার নাম-ঠিকানা বসিয়েছে। এই সূত্রে মেডিকেল সার্টিফিকেট দেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যাতে টেম্পারিং মেডিকেল সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে প্রতিপক্ষের দীর্ঘমেয়াদী জেল ও জরিমানা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই টেম্পারিং করা মেডিকেল রেকর্ডের ভিত্তিতে এই ফারুক মিয়া গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন এনায়েতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী ও রমজান আলীসহ আরও অজ্ঞাত ৪/৫ জনের নামে গত ২২ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সদর থানা গত ২৬ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে (১৪৩, ৩২৩, ৩২৬, ৩০৭, ৪২৭, ৫০৬ পেনাল কোড ১৮৬০; বেআইনী জনতাবদ্ধে হত্যার উদ্দ্যেশে মারপিট করে সাধারণ ও গুরুতর জখম, ক্ষতিসাধন ও হুমকি প্রদানের অপরাধ) ধারায় মামলা (নম্বর: ৫০/৪১৩) গ্রহণ করে।
মামলার অভিযোগপত্র ও প্রাথমিক তথ্য বিবরণী অনুযায়ী মো. ফারুক মিয়া গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানার পূর্ব এনায়েতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম আব্দুল হেকিম। অভিযোগপত্রে মো. ফারুক মিয়া নিজেকে দৈনিক অগ্নিশিখা পত্রিকার গাজীপুর জেলার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গতকাল দুপুরে তার অফিস কক্ষে পুলিশ রেকর্ড খাতা সাংবাদিকদের দেখান। এ সময় টেম্পারিংয়ের কথা স্বীকার করে ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “দেখলাম যে ফ্লুইড লাগানো আছে। এটা ফ্লুইড দিয়ে ওভারল্যাপিং করা আছে এইটা সত্যি কথা। ফ্লুইড দিয়ে মোছা এটা কোনোভাবেই এটা গ্রহণযোগ্য না। এটা বড় ধরণের অপরাধ। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অবশ্যই এর জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ রেকর্ড খাতায় রোগীর মেডিকেল রেকর্ড টেম্পারিং করে নিরীহ লোকদের ফাঁসানোর চেষ্টার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি জাল মেডিকেল সর্টিফিকেট চক্র। এই চক্রের দেওয়া জাল মেডিকেল সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে নিরীহ ভুক্তভোগীদের জেল ও জরিমানা হতে পারে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের জরুরী বিভাগের রোগী রেজিস্টার খাতায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জোগসাজস করে অন্য কোন রোগীর মেডিকেল রেকর্ডে রোগীর নাম-ঠিকানার অংশ ফ্লুইড দ্বারা ঢেকে দিয়ে জনৈক মো. ফারুক মিয়ার নাম-ঠিকানা বসিয়েছে। এই সূত্রে মেডিকেল সার্টিফিকেট দেওয়ার চেষ্টা চলছিল, যাতে টেম্পারিং মেডিকেল সার্টিফিকেটের উপর ভিত্তি করে প্রতিপক্ষের দীর্ঘমেয়াদী জেল ও জরিমানা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই টেম্পারিং করা মেডিকেল রেকর্ডের ভিত্তিতে এই ফারুক মিয়া গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানাধীন এনায়েতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী ও রমজান আলীসহ আরও অজ্ঞাত ৪/৫ জনের নামে গত ২২ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সদর থানা গত ২৬ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে (১৪৩, ৩২৩, ৩২৬, ৩০৭, ৪২৭, ৫০৬ পেনাল কোড ১৮৬০; বেআইনী জনতাবদ্ধে হত্যার উদ্দ্যেশে মারপিট করে সাধারণ ও গুরুতর জখম, ক্ষতিসাধন ও হুমকি প্রদানের অপরাধ) ধারায় মামলা (নম্বর: ৫০/৪১৩) গ্রহণ করে।
মামলার অভিযোগপত্র ও প্রাথমিক তথ্য বিবরণী অনুযায়ী মো. ফারুক মিয়া গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানার পূর্ব এনায়েতপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম আব্দুল হেকিম। অভিযোগপত্রে মো. ফারুক মিয়া নিজেকে দৈনিক অগ্নিশিখা পত্রিকার গাজীপুর জেলার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গতকাল দুপুরে তার অফিস কক্ষে পুলিশ রেকর্ড খাতা সাংবাদিকদের দেখান। এ সময় টেম্পারিংয়ের কথা স্বীকার করে ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “দেখলাম যে ফ্লুইড লাগানো আছে। এটা ফ্লুইড দিয়ে ওভারল্যাপিং করা আছে এইটা সত্যি কথা। ফ্লুইড দিয়ে মোছা এটা কোনোভাবেই এটা গ্রহণযোগ্য না। এটা বড় ধরণের অপরাধ। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অবশ্যই এর জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
ভিডিওতে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রফিকুল ইসলামের পুলিশ রেকর্ড খাতায় রোগীর মেডিকেল রেকর্ড টেম্পারিংয়ের স্বীকারোক্তি ...
মন্তব্য করুন: